বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত হিলিতে ফেন্সিডিলের কারখানা

0

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
SELECT meta_id FROM wp_postmeta WHERE meta_key = 'post_views_count' AND post_id = 41488

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
INSERT INTO `wp_postmeta` (`post_id`, `meta_key`, `meta_value`) VALUES (41488, 'post_views_count', '0')

0

বাংলাদেশ -ভারত সীমান্ত ঘেঁষে অসংখ্য ফেনসিডিলের কারখানা নিয়ে গণমাধ্যমে এ পর্যন্ত অসংখ্য সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সম্প্রতি একটি বহুল প্রচলিত দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায় ভারত-বাংলাদেশ হিলি সিমান্তে ফেনসিডিলের ৬০ টি কারখানা রয়েছে। এসব কারখানায় তৈরি করা ফেনসিডিল বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে উভয় দেশের মাদক কারবারীদের মাধ্যমে । এর ফলে বাংলাদেশ মাদকের ছোবল থেকে বাঁচতে পারছে না। এমনিতেই ইয়াবার মরন ছোবলে যুব সমাজসহ দেশের আইন শৃঙ্খলার ক্রমশ: অবনতি হচ্ছে।

Advertisement

এর মধ্যে ভারতের হিলি সিমান্তে ফেন্সিডিলের এতগুলো কারখানা আমাদের দেশের জন্য অশনি সংকেত বহন করছে। হিলি ও ঘোড়াঘাট এলাকাকে ব্যবহার করা হচ্ছে এসব তরল মাদক এদেশে পাঠানোর জন্য। গণমাধ্যমে প্রকাশ, ভারতের ত্রিপুরা সীমান্তে ১০ টি ফেন্সিডিলের বিরাট কারখানা রয়েছে। ত্রিপুরার সোনামুরা বাজারের তিনটি ফেন্সিডিল কারখানার মালিক হলেন প্রবাল সাহা, মিহির আলী ও সেলিম মিয়া। সীমান্তের জিরো পয়েন্ট থেকে এই তিনটি কারখানার দুরত্ব মাত্র ৪০০ মিটার।

ত্রিপুরার বিকাশ নগর ও মধুপুর পাহাড়ি এলাকায় রয়েছে দুটি, পশ্চিম ত্রিপুরার গান্ধীগ্রামে রয়েছে একটি কারখানা। এছাড়া আগড়তলায় রয়েছে চারটি কারখানা। একইভাবে ভারতের উত্তর চব্বিশ ও দক্ষিন পরগণা, মুর্শিদাবাদ ও দমদমের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত আরো ১৬ টি কারখানায় ফেন্সিডিল তৈরি হচ্ছে শুধু বাংলাদেশে পাচারের জন্য। বছরে কমপক্ষে এক কোটি বোতল বিশেষ ধরনের ফেন্সিডিল বাংলাদেশে ঢুকছে।

ফেন্সিডিলের বোতলের গায়ে উৎপাদনস্থল হিসেবে হিমাচল, বেঙ্গালুর, কলকাতা ও লাখনউ লেখা থাকে। সমাজ সেবা বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন এসব মাদক দ্রব্য বাংলাদেশে পাচারের উদ্দেশ্য হচ্ছে এদেশের যুব সমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের একাজটি করা ঠিক হয় নাই। এক সময় বাংলাদেশের আনাচে কানাচে এমনকি গ্রামে গঞ্জে ফেন্সিডিলের ছাড়ছাড়ি ছিল। এখন ইয়াবা পাচারের কারনে ফেন্সিডিলের ওপর ঝোঁক কিছুটা কমে গেছে।

তবে ভারত সীমান্তে নতুন করে কারখানা নির্মান করার কারনে বাংলাদেশ আবার ফেন্সিডিলের আগ্রাসনের শিকরে পরিণত হচ্ছে। ইতোপূর্বে বাংলাদেশের বিজিবির পক্ষ থেকে ভারতীয় বিএসএফ ও ভারত সরকারের প্রতি এই তরল মাদক তৈরির কারখানার ঠিকানা ও সংখ্যা উল্লেখ করে এগুলো বন্ধ করার জন্য বেশ কয়েকবার জোর দাবি করা হয়। ভারত সরকার এই ব্যাপারে আশ^াস দিলেও তা বাস্তবে আলোর মুখ দেখে নাই। পরিবেশবিদগণ বলছেন ভারত আন্তর্জাতিক নদী আইন লঙ্ঘন করে ৫৪ টি নদীর উৎসমুখে বাঁধ দিয়ে বাংলাদেশকে মরুকরন করে ফেলছে। এর ওপর ফেন্সিডিল নামক মাদক এদেশে পাচার করে এদেশের জন্য মরার ওপর খাঁড়ার ঘাঁ মারছে। উভয় দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক প্রতিষ্টার জন্য বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনায় নিতে হবে।

পরিবেশবিদগণ বলছেন ভারত আন্তর্জাতিক নদী আইন লঙ্ঘন করে ৫৪ টি নদীর উৎসমুখে বাঁধ দিয়ে বাংলাদেশকে মরুকরন করে ফেলছে। এর ওপর ফেন্সিডিল নামক মাদক এদেশে পাচার করে এদেশের জন্য মরার ওপর খাঁড়ার ঘাঁ মারছে। উভয় দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক প্রতিষ্টার জন্য বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনায় নিতে হবে।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here