নফলে বেড়ে যায় দু’আ কবুলের চান্স

0

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
SELECT meta_id FROM wp_postmeta WHERE meta_key = 'post_views_count' AND post_id = 70230

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
INSERT INTO `wp_postmeta` (`post_id`, `meta_key`, `meta_value`) VALUES (70230, 'post_views_count', '0')

0

ফরজের পর অধিক নফল আমল করা দুআ কবুলের সহায়ক। হজরত আবু হুরাইরা রাযি. থেকে বর্ণিত—রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “আল্লাহ তায়ালা বলেন, “যে আমার কোনো বন্ধুর সঙ্গে শত্রুতা পোষণ করে, আমি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করছি। বান্দা যে সকল উসিলায় আমার নৈকট্য অর্জন করে, তার মধ্যে আমার সবচেয়ে প্রিয় হচ্ছে ফরজ আমলসমূহ। অন্যদিকে নফল আমলের মাধ্যমে বান্দা আমার এত নিকটবর্তী হয় যে, আমি তাকে ভালোবাসতে থাকি। যখন আমি তাকে ভালোবাসি, তখন আমি হয়ে যাই তার কান, যা দিয়ে সে শোনে; তার চোখ, যা দিয়ে সে দেখে; তার হাত, যা দিয়ে সে ধরে; তার পা, যা দিয়ে সে চলে। সে কিছু চাইলে আমি অবশ্যই দান করি, সাহায্য চাইলে সাহায্য করি। এমন মুমিন বান্দাকে মৃত্যু দিতে আমি সবচেয়ে বেশি দ্বিধাবোধ করি; কারণ সে মৃত্যু অপছন্দ করে আর আমি অপছন্দ করি তাকে অসন্তুষ্ট করতে।” . ‘মিরাকুলাস প্রেয়ারস’ বই থেকে। আমরা যত বেশি ফর‍য আদায়ে যত্নবান হবো, তত বেশি আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করবো। আর ফরযের পর নফলের কম বা বেশির কারণেই এই নৈকট্যের পরিমাণেও হবে বেশি বা কম। ফরয তো আবশ্যিক, সবাই-ই সেটা করেন। কিন্তু যত্নের সাথে ফরয আদায় করি আমরা কজন? আর এরপরে নফলেই বা যত্নবান থাকে কজন? কিন্তু যারা থাকে, তারাই হতে পারেন রবের কাছের মানুষ। যারা দু’আয় হাত তুললে সেই দু’আ দ্রুতই পৌঁছে যায় আরশের দরবারে।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here