তার মায়ের নামে ১৪০ কোটি টাকার এফডিআর পাওয়া গেছে

0

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
SELECT meta_id FROM wp_postmeta WHERE meta_key = 'post_views_count' AND post_id = 41466

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
INSERT INTO `wp_postmeta` (`post_id`, `meta_key`, `meta_value`) VALUES (41466, 'post_views_count', '0')

0

র‌্যাব হেড কোয়ার্টার, সচিবালয়, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, পঙ্গু হাসপাতালসহ বড় বড় ১৭টি প্রকল্পের প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার ঠিকাদারির কাজ করছেন র‌্যাবের হাতে আটক হওয়া এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীম।

Advertisement

তার মালিকানাধীন জি কে বি অ্যান্ড কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেডের নামে তিনি এসব কাজ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।শুক্রবার র‌্যাবের হাতে বিপুল টাকা, এফডিআর এবং মাদক ও অস্ত্রসহ ধরা পড়ার পর বিকেলে জি কে বি অ্যান্ড কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেডের কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের এ তথ্য দেন।চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির অভিযোগ থাকা রাজধানীর সবুজবাগ, বাসাবো, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রভাবশালী ঠিকাদার হিসেবে পরিচিত যুবলীগ নেতা শামীমকে ধরতে শুক্রবার ভোর ৬টা থেকে সাদা পোশাকে শুরু হয় র‍্যাবের অভিযান।বিকেল সাড়ে ৪টায় অভিযান শেষে শামীমসহ ৮ জনকে আটক করার কথা জানায় র‍্যাব। অভিযানে ১ কোটি ৮০ লাখ নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া ১৬৫ কোটি টাকার ওপরে এফডিআর (স্থায়ী আমানত) পাওয়া যায়, যার মধ্যে তার মায়ের নামে ১৪০ কোটি ও ২৫ কোটি টাকা তার নামে। পাওয়া যায় মার্কিন ডলার, মাদক ও আগ্নেয়াস্ত্র।বিকেলে র‌্যাবের পক্ষ থেকে শামীমকে আটকের ঘোষণা দেয়ার পরপরই তার অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তা জি কে বি অ্যান্ড কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেডের নামে পাওয়া টেন্ডারের তথ্য সাংবাদিকদের সরবরাহ করেন। তাদের একজন দিদার। তিনি নিজেকে জি কে শামীমের পিএস বলে দাবি করেন।দিদারের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, জি কে শামীম জি কে বি অ্যান্ড কোম্পানি (প্রাইভেট) লিমিটেডের নামে বড় বড় ১৭টি প্রকল্পের কাজ পেয়েছেন। এর মধ্যে ৪০০ কোটি টাকার কাজ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের। ৩০০-৩৫০ কোটি টাকার কাজ পঙ্গু হাসপাতালের।এ ছাড়া বড় প্রকল্পের মধ্যে ৫০০ কোটি টাকার র‌্যাব হেডকোয়ার্টার, ১৫০ কোটি টাকার সচিবালয়, ৪০০ কোটি টাকার এনবিআর, ১৫০ কোটি টাকার সচিবালয় কেবিনেট ভবন, ২০০ কোটি টাকার মহাখালী ডাইজেস্টিভ এবং বেইলি রোডে ৩০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প রয়েছে।এর পাশাপাশি ২০-২৫ কোটি টাকার অ্যাজমা, ২০-২৫ কোটি টাকার ক্যাসার, ২০-২৫ কোটি টাকার সেবা মহাবিদ্যালয়, ৮০ কোটি টাকার নিউরোসাইন্স, ৮০ কোটি টাকার বিজ্ঞান জাদুঘর, ১২ কোটি টাকার পিএসসি, ৩০-৬০ কোটি টাকার র‌্যাব ফোর্স, ৬৫ কোটি টাকার এনজিও ফাউন্ডেশন এবং মিরপুর-৬ তে ৩০ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ রয়েছে জি কে শামীমের হাতে।সব প্রকল্পের তথ্য দিয়ে দিদার বলেন, ‘জি কে শামীম স্যার সম্মানী ব্যক্তি। সরকারের বড় বড় প্রায় সব প্রকল্পের কাজ তিনি পেয়েছেন। সুতরাং স্যারের কাছে কোটি টাকা থাকা কোনো ব্যাপার না। আমরা চাই তাকে যেন তার যোগ্য সম্মানটা দেয়া হয়।’এদিকে র‌্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জি কে শামীমকে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বলেছেন, যদি তিনি নির্দোষ হন, তাহলে কোর্টে এগুলোর ব্যাখ্যা দেবেন। আমরা অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিয়েছি, কোর্টে তার বক্তব্য সঠিক হলে তিনি ছাড়া পাবেন।সারওয়ার আলম বলেন, তার মায়ের নামে ১৪০ কোটি টাকার এফডিআর পাওয়া গেছে, যদিও তার মা বড় কোনো ব্যবসায়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন না। বাকি টাকা উনার নামে। ব্যবসায়ী হিসেবে নগদ টাকা থাকতেও পারে। তবে তার বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ ছিল। তার দেহরক্ষীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র প্রদর্শন করে চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে, মাদক পাওয়া গেছে, যেটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।তিনি আরও বলেন, আমরা তথ্য পেয়েছি তার নগদ টাকা অবৈধ উৎস থেকে এসেছে। কিন্তু এটা সত্য-মিথ্যা প্রমাণ করার দায়িত্ব তার। এটা তিনি কোর্টের সামনে প্রমাণ করবেন।অস্ত্রের বিষয়ে সারওয়ার আলম বলেন, তার বিরুদ্ধে বৈধ অস্ত্র অবৈধ কাজে ব্যবহার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৈধ অস্ত্র ব্যবহারের কিছু শর্তাবলি থাকে। সেসব ভঙ্গ করেছেন তিনি।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here