খুলনায় গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনায় ওসি উছমান গণি পাঠানসহ পাঁচ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

0

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
SELECT meta_id FROM wp_postmeta WHERE meta_key = 'post_views_count' AND post_id = 40431

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
INSERT INTO `wp_postmeta` (`post_id`, `meta_key`, `meta_value`) VALUES (40431, 'post_views_count', '0')

0

খুলনার জিআরপি থানায় তিন সন্তানের মাকে (৩০) গণধর্ষণের ঘটনায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উছমান গণি পাঠানসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। নির্যাতনের শিকার ওই নারী বাদি হয়ে শুক্রবার রাতে জিআরপি থানায় মামলাটি দায়ের করেন। ঘটনার তদন্ত কমিটির প্রধান কুষ্টিয়া সার্কেলের এএসপি ফিরোজ আহমেদ মামলা হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেন।

Advertisement

এএসপি ফিরোজ আহমেদ বলেন, জিআরপি থানায় গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনায় আদালতের নির্দেশে ওসি উছমান গণিসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতন ও হত্যা নিবারণ আইনে মামলা হয়েছে। এ মামলার বাদী ভুক্তভোগী নারী নিজেই।

তিনি আরো বলেন, তদন্ত কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো। তবে এ সময় আরো বাড়তে পারে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে নির্যাতনের শিকার নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্ত কমিটি। জিজ্ঞাসাবাদের পরেই আদালতের নির্দেশে পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

এদিকে, ধর্ষণের ঘটনায় গত মঙ্গবার (৬ আগস্ট) কুষ্টিয়া সার্কেলের এএসপি ফিরোজ আহমেদসহ ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি তদন্ত কাজ শুরু করে। তদন্ত কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন, পুলিশ পরিদর্শক শ ম কামাল হোসেইন ও মো. বাহারুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, গত ২ আগস্ট (শুক্রবার) যশোর থেকে ট্রেনে খুলনায় আসার পথে তিন সন্তানের মা এক নারীকে (৩০) আটক করে খুলনা জিআরপি থানা পুলিশ। ওই নারীর অভিযোগ, মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগ দিয়ে তাকে আটক করা হয়। ওই দিন রাতে থানা হাজতে ওসিসহ ৫ পুলিশ সদস্য তাকে মারধর ও ধর্ষণ করে। পরদিন তাকে ৫ বোতল ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

গত রবিবার ওই নারী খুলনার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুজ্জামানের আদালতে তাকে মারধর ও গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। আদালত তার জবানবন্দি গ্রহণ করে তার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশে গত সোমবার তার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। তবে পরীক্ষার রিপোর্ট এখনো তৈরি হয়নি।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here