কুড়িগ্রামের রৌমারীতে জনতার হাতে ৫ঘন্টা ৩ পুলিশ অবরুদ্ধ

0

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
SELECT meta_id FROM wp_postmeta WHERE meta_key = 'post_views_count' AND post_id = 7007

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
INSERT INTO `wp_postmeta` (`post_id`, `meta_key`, `meta_value`) VALUES (7007, 'post_views_count', '0')

0

মাজহারুল ইসলাম, রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে পাওনা টাকা তুলে দিয়ার অভিযোগে গিয়ে নামাজেরচর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এক এএসআইসহ ৩ পুলিশ সদস্য বিক্ষুদ্ধ জনতার তোপের মুখে অবরুদ্ধ রাখার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ঐ ৩ পুলিশ সদস্যকে প্রায় ৫ ঘন্টা বেঁধে রেখেছে বিক্ষুদ্ধ জনতারা তার অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে রৌমারী থানার ওসির নেতৃত্বে এসআই ফারুকসহ কয়েকজন পুলিশ ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে সন্ধার দিকে বেঁধে রাখা অবরুদ্ধ পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করেন। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চর ইটালুকান্দা গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। অভিযোগে জানা যায়, নামাজেরচর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই আলমঙ্গীর হোসেন ও দুই কনস্ট্রবল বেলাল হোসেন ও মশিউর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে রৌমারী থানার অধিনে চর ইটালুকান্দা গ্রামের মুন্নাফ আলীর বাড়িতে হাজির হয়। এ সময় পুলিশ মুন্নাফ আলীকে দৌড়ে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। মুন্নাফ আলীর অপরাধ, তার কাছে ২৭ হাজার টাকা পায় উত্তর নামাজেরচর গ্রামের আছমত আলী নামের এক ব্যাক্তি। পুলিশ আছমত আলীর সঙ্গে অলিখিত এক চুক্তি করে ২৭ হাজার টাকা তুলে দিতে পারলে পুলিশকে দেয়া হবে ১০ হাজার টাকা। এই লোভে ঐ তিন পুলিশ সদস্য মুন্নাফ আলীর বাড়িতে হানা দেয়। এতে বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে গ্রাম বাসী ।  ঘটনা প্রনঙ্গে জানতে চাইলে নামজেরচর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই আব্দুল মান্নান বলেন, মুন্নাফ আলীর বিরুদ্ধে পাওনা টাকার অভিযোগ দায়ের করার পরই আমার পুলিশ ওই গ্রামে যায়। সেখানে সাধারণ মানুষ না বুঝে পুলিশদের উপর চড়াও হয়ে তাদের অবরুদ্ধ করে বেধে রাখে।
রৌমারী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, আমাদের উদ্বর্তন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে জনতার হাতে অবরুদ্ধ থাকা ৩ পুলিশকে উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে তদন্ত করলে বুঝা যাবে আসল ঘটনার মুল কাহিনীটা কী

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here