রূপসা প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় ও পূনর্বাসন কেন্দ্র উন্নয়নের দেখা মেলেনি

0

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
SELECT meta_id FROM wp_postmeta WHERE meta_key = 'post_views_count' AND post_id = 23425

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
INSERT INTO `wp_postmeta` (`post_id`, `meta_key`, `meta_value`) VALUES (23425, 'post_views_count', '0')

0

রেজাউল ইসলাম তুরান ঃ – খুলনার রূপসা উপজেলায় চাঁদপুর গ্রামে রূপসা প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় ও পূনর্বাসন কেন্দ্রটিঁতে উন্নয়নের দেখা মেলেনি। শিক্ষার মূলধারা থেকে বঞ্চিত প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়ানোর প্রত্যয় ও সামাজিক দায়িত্ববোধ নিয়ে ২০১৫ সালে ডাঃ খাঁন মোঃ শফিকুল ইসলাম নিজ জমিতে বিদ্যালয়টি স্থাপন করেন। তার ব্যক্তিগত উদ্দ্যেগে উপজেলার চাঁদপুর গ্রামে ব্যাতিক্রমধর্মী বিদ্যালয়টি মাত্র ৫ জন প্রতিবন্ধী শিশুকে নিয়ে চালু করেন। এখন ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা ৭০ জন ।প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে প্রাক প্রাথামিক, প্রাথামিক ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা প্রদানে প্রতিষ্ঠানটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। এসব শিশুদের শিক্ষা প্রদানের জন্য নিরলসভাবে সে¦চ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে সমাজের জন্য অতিপ্রয়োজনীয় দায়িত্বটি পালন করে চলছেন শিক্ষক,কর্মচারী সহ ১৭ টি নিবেদিত প্রাণ।

Advertisement

এসব প্রতিবন্ধী শিশুদের কাছ থেকে কোন প্রকার বেতন নেওয়া হয়না। তাছাড়া স্বাধীনতা দিবস,বিজয় দিবস প্রতিবন্ধী দিবস অটিজম সহ বিভিন্ন জাতীয় দিবসে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাভাবিক শিশুদের পাশাপাশি অংশ নিয়ে প্রতিবন্ধী শিশুরা ও অনেক সাফল্য অর্জন করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য ১লা জুলাই ২০১৮সাল থেকে মিড ডে মিলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই বিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী এতিম ও দরিদ্র পরিবারের সন্তান ।যারা কিনা শিক্ষা, চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত ছিল। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কারণে প্রতিবন্ধী শিশুদের বিনা খরচে ফিজিওথেরাপিষ্ট দ্বারা ফিজিওথেরাপি সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীর অভিবাবক ঝরনা বলেন আমার ছেলে রহমাতউল্লাহ প্রতিবন্ধী শিশু হওয়ায় আমাকে ফেলে তার বাবা অন্য একজন কে বিবাহ করে কোথায় চলে গেছেন তা আমি জানিনা । আমার প্রতিবন্ধী শিশু নিয়ে একবেলা খায় আর একবেলা না খেয়ে থাকি। আমি পরের বাড়িতে কাজ করি আর আমার রহমাতউল্লাহ এই স্কুলে পড়ে। স্কুল থেকে দুপুরে খাবার দেয় । যার কারণে আমার তার জন্য চিন্তা করতে হয় না।আমার ছেলে আগের চেয়ে অনেক সুস্থ্য হয়ে উঠেছে এবং আমাকে পাঠ্যবইয়ের কবিতা পড়ে শুনাতে পারে।যার কারণে আমি বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ খাঁন মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন বিদ্যালয়টি সচল রাখার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিন্তু আমাদের প্রতিষ্ঠানটিতে কোন পাঁকা অবকাঠামো নেই। যার কারণে ঝড়ে বিদ্যালয়টির টিনের অবকাঠামো গুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে খোলা আকাশের নিচে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানো হয় এছাড়া আমাদের স্কুলে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই যার কারনে ওদের লেখা পড়ার অনেক সমস্যা হয়। যদি সমাজের দানশীল ব্যক্তি ও সরকারের স্বার্বিক সহযোগীতা পায় তাহলে খুলনা জেলার ভিতর ব্যক্তিগত উদ্দ্যেগের একমাত্র প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টি টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে। এ ব্যাপারে উপজেলার নির্বাহী অফিসার জনাব ইলিয়াছুর রহমান বলেন বিদ্যালয়টি সমাজের অবহেলিত প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। বিদ্যালয়টিতে একটি পাঁকা ভবন নির্মান আবশ্যক। বিষয়টি জেলা প্রশাসক মহাদয়কে অবহিত করা হয়েছে।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here