জনভোগান্তি ও দুর্নীতি কমাতে সেবা প্রদানকারীদের প্রথমেই পজেটিভ মাইন্ড থাকতে হবে …ভূমি প্রতিমন্ত্রী

0

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
SELECT meta_id FROM wp_postmeta WHERE meta_key = 'post_views_count' AND post_id = 4439

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
INSERT INTO `wp_postmeta` (`post_id`, `meta_key`, `meta_value`) VALUES (4439, 'post_views_count', '0')

0

ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, জনভোগান্তি এবং দুর্নীতি কমাতে সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদানকারীদের  পজেটিভ মাইন্ড নিয়ে সামনের দিকে এগুতে হবে। ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা সহজ হবে। ১৮ মে ২০১৭ তারিখ বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাব সংলগ্ন সিরডাপ মিলনায়তনে ডিজিটাল ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম প্রকল্পের ন্যাশনাল ডিসেমিনেশন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমি প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মেছবাহ উল আলম এবং এডিবির বাংলাদেশ রেসিডেন্স মিশনের প্রিন্সিপাল কান্ট্রি স্পেশালিস্ট মিস জয়তসানা ভারমা। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শেখ আব্দুল আহাদ। সেমিনারে প্রকল্পের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, কার্যক্রম ও অর্জন বিষয়ে প্রবন্ধ পাঠ করেন প্রকল্প পরিচালক মোঃ আহসান হাবীব তালুকদার। মডারেটরের দায়িত্বে ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ আকরাম হোসেন ও অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মোঃ আবুয়াল হোসেন। এছাড়া ডিএলএমএস সফটওয়্যার এর মৌলিক কার্যক্রম ও ব্যবহার বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভারতের আই এলএন্ডএফএস টেকনোলজিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপক মি. রাকেশ বেদী। প্রথম ও দ্বিতীয় সংশোধিত ডিএলএমএস প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল জুলাই ২০১১ থেকে জুন ২০১৭ পর্যন্ত। এর অর্থায়নের উৎস হচ্ছে জিওবি ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। প্রকল্প ব্যয় ১৫৫ কোটি ৪৭ লাখ ১৭হাজার টাকার মধ্যে এডিবি’র অর্থায়ন ছিল ১২৭ কোটি ৯২ লাখ টাকা। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো ভূমি মালিকানা নির্ধারণ অধিকতর সহজীকরণ, জনভোগান্তি ও দুর্নীতি কমাতে ভূমির মিউটেশন আধুনিকায়ন করা। সেবা গ্রহীতারা অনলাইনে মিউটেশন সম্পন্ন করার সুফল ভোগ করবেন। ডিজিটাল পদ্ধতিতে নামজারি ও জমাভাগ আরও সহজতর করে জনভোগান্তি হ্রাস করা। ডিজিটাল ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম প্রকল্পটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে ৪টি বিভাগের ৭টি জেলার ৪৫টি উপজেলার ৪৬টি ভূমি সার্কেল অফিসে চলছে। আপাতত ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের আওতাধীন গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, জামালপুর, শেরপুর, পাবনা, রাজশাহী ও দিনাজপুর জেলার ৪৫টি উপজেলার মধ্যে ২০টি উপজেলায় ল্যান্ড ইনফরমেশন এন্ড সার্ভিস সেন্টার স্থাপন, প্রকল্পভুক্ত ৭টি জেলা রেকর্ড রুম ও ৪৬টি ভূমি অফিসে ৫৩টি সার্ভার কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। ডাটা সেন্টার স্থাপন অবশ্যম্ভাবী হওয়ায় ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের অভ্যন্তরে একটি কেন্দ্রীয় ডাটা সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। মিউটেশন ও ভূমি রেকর্ড সংরক্ষণ কাজে প্রযুক্তিগত সফটওয়্যার নির্মাণের লক্ষ্যে ভারতের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আইএলএন্ডএফএস টেকনোলজিস লিমিটেড কর্তৃক প্রস্তুতকৃত ডিজিটাল ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যারটি ডিজিটাল কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর দক্ষ প্রশিক্ষিত স্থায়ী ভূমি কর্মী মূল্যবান মানব সম্পদে পনিণত হচ্ছে। চুক্তিবদ্ধ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এ পর্যন্ত ৬৫ লাখ খতিয়ান ও ১৮ হাজার ৫০০টি ম্যাপ স্ক্যান এর কাজ শেষ করেছে। পাশাপাশি কর্ম এলাকাভুক্ত ৩৩০ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ ভূমি কর্মী হিসেবে গড়ে উঠেছে। পর্যায়ক্রমে এর সংখ্যা সারাদেশে বৃদ্ধি পাবে। ভূমি সেবা প্রার্থীদের ডিজিটাল পদ্ধতিতে আবেদন গ্রহণসহ প্রাসঙ্গিক কাজে সহায়তার জন্য ৬৭ জন প্রশিক্ষিত কাস্টমার কেয়ার এসোসিয়েটস ভূমি তথ্য ও সেবা কেন্দ্রে নিরলসভাবে সেবা প্রদান করে যাচ্ছেন। বর্তমানে প্রকল্পভুক্ত জেলা রেকর্ডরুমে ও ভূমি অফিসসমূহে ডিজিটাল পদ্ধতিতে খতিয়ান ও ম্যাপ সরবরাহ এবং সনাতন পদ্ধতির পাশাপাশি পরীক্ষামূলকভাবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে মিউটেশন কাজ চলছে।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here